n শ্রীমদ্ভগবদগীতা যথাযথ থেকে ধারাবাহিকভাবে পাঠ-মুখবন্ধ (২) - 11 June 2011 - হিন্দু ধর্ম ব্লগ - A Total Knowledge Of Hinduism, সনাতন ধর্ম Hinduism Site
Wednesday
12-08-2020
9:26 AM
Login form
Search
Calendar
Entries archive
Tag Board
300
Site friends
  • Create a free website
  • Online Desktop
  • Free Online Games
  • Video Tutorials
  • All HTML Tags
  • Browser Kits
  • Statistics

    Total online: 1
    Guests: 1
    Users: 0

    Hinduism Site

    হিন্দু ধর্ম ব্লগ

    Main » 2011 » June » 11 » শ্রীমদ্ভগবদগীতা যথাযথ থেকে ধারাবাহিকভাবে পাঠ-মুখবন্ধ (২) Added by: Ratan
    10:22 PM
    শ্রীমদ্ভগবদগীতা যথাযথ থেকে ধারাবাহিকভাবে পাঠ-মুখবন্ধ (২)
    2
    (পূর্ব প্রকাশিতের পর)
    ভগবদগীতার চতুর্থ অধ্যায়ে (৪/১-৩) ভগবান বলেছেন-

    ইমং বিবস্বতে যোগং প্রোক্তবানহমব্যয়ম্।
    বিবস্বান্মনবে প্রাহ মনুরিক্ষ্বাকবেহব্রবীৎ।।

    এবং পরম্পরাপ্রাপ্তমিমং রাজর্ষয়ো বিদুঃ।
    স কালেনেহ মহতা যোগো নষ্টঃ পরন্তপঃ।।

    স এবায়ং ময়া তেহ্দ্য যোগঃ প্রোক্তঃ পুরাতনঃ।
    ভক্তোহসি মে সখা চেতি রহস্যং হ্যেতদুত্তমম্।।

    এখানে ভগবান অর্জুনকে বলেছেন যে, এই যোগ ভগবদগীতা প্রথমে তিনি সূর্যদেবকে বলেন, সূর্যদেব তা বলেন মনুকে, মনু ইক্ষ্বাকুকে এবং এভাবে গুরু-পরম্পরাক্রমে গুরুদেব থেকে শিষ্যতে এই জ্ঞান ধারাবাহিকভাবে প্রবাহিত হয়ে আসছিল। কিন্তু এক সময় এই পরম্পরা ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ফলে আমরা এই জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। তাই ভগবান কুরুক্ষেত্রের রনাঙ্গনে নিজে এসে আবার এই জ্ঞান অর্জুনের মাধ্যমে দান করলেন।
    তিনি অর্জুনকে বললেন, “তুমি আমার ভক্ত ও সখা, তাই রহস্যাবৃত এই পরম জ্ঞান আমি তোমাকে দান করছি।” এই কথার তাৎপংর্য হচ্ছে যে, ভগবদগীতার জ্ঞান কেবল ভগবানের ভক্তই আহরণ করতে পারে। অধ্যাত্মবাদীদের সাধারনত তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়, যথা- জ্ঞানী, যোগী ও ভক্ত, অথবা নির্বিশেষবাদী, ধ্যানী ও ভক্ত। এখানে ভগবান স্পষ্টভাবে অর্জুনকে বলেছেন যে, পূর্বের পরম্পরা নষ্ট হয়ে যাবার ফলে তিনি তাঁকে দিয়ে পুনরায় সেই পুরাতন যোগের প্রচার করলেন। তিনি চেয়েছিলেন যে, অর্জুন এই জ্ঞানকে যথাযথভাবে উপলব্ধি করে তার প্রচার করবেন। আর এই কাজের জন্য তিনি অর্জুনকেই কেবল মনোনীত করলেন, কারণ অর্জুন ছিলেন তাঁর ভক্ত, তাঁর অন্তরঙ্গ সখা ও তাঁর প্রিয় শিষ্য। তাই ভগবানের ভক্ত না হলে অর্থ্যাৎ ভক্তি এবং ভালবাসার মাধ্যমে তাঁর অন্তরঙ্গ সান্নিধ্যে না এলে ভগবানের মাহাত্ম্য উপলব্ধি করতে পারা সম্ভব নয়। তাই অর্জুনের গুণে গুণান্বিত মানুষেরাই কেবল ভগবদগীতাকে যথাযথভাবে উপলব্ধি করতে পারে। ভক্তির মাধ্যমে ভক্তের সঙ্গে ভগবানের যে প্রেম-মধুর সম্পর্ক গড়ে উঠে, তারই আলোকে ভগবানের স্বরূপ উপলব্ধি করা সম্ভব হয়। এই সম্পর্কের ব্যাখ্যা করতে গেলে অনেক কথা বলতে হয়, তবে সংক্ষেপে বলা যায় যে, ভক্ত ভগবানের সঙ্গে নিম্নলিখিত পাঁচটি সম্পর্কের যে কোন একটির দ্বারা যুক্ত থাকেন-

    ১) নিস্ক্রিয়ভাবে ভক্ত হতে পারেন (শান্ত)
    ২) সক্রিয়ভাবে ভক্ত হতে পারেন (দাস্য)
    ৩) বন্ধুভাবে ভক্ত হতে পারেন (সখ্য)
    ৪) অভিবাবক রূপে ভক্ত হতে পারেন (বাৎসল্য)
    ৫) দাম্পত্য প্রেমিকরূপে ভক্ত হতে পারেন (মাধুর্য)

    অর্জুনের সঙ্গে ভগবানের সম্পর্কের রূপ ছিল সখ্য। অবশ্য শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে অর্জুনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক তার সঙ্গে পার্থিব জগতের বন্ধুত্বের বিস্তর তফাৎ। এই সম্পর্ক হচ্ছে অপ্রাকৃত এবং জড় অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে এর বিচার করা কখনই সম্ভব নয়। যে কোন লোকের পক্ষে এই বন্ধুত্বের আস্বাদন লাভ করা সম্ভব নয়, তবুও প্রত্যেকেই কোন কোনভাবে ভগবানের সঙ্গে যুক্ত এবং এই সম্পর্কের প্রকাশ হয় ভক্তিযোগের পূর্ণতার মাধ্যমে। তবে আমাদের বর্তমান অবস্থায়, আমরা কেবল ভগবানকেই ভুলে যাইনি, সেই সঙ্গে ভুলে গেছি তাঁর সঙ্গে আমাদের চিরন্তন সম্পর্কের কথা। লক্ষ কোটি জীবের মধ্যে প্রতিটি জীবেরই ভগবানের সঙ্গে কোন না কোন রকমের শাশ্বত সম্পর্ক রয়েছে, এবং সেই সম্পর্ক হচ্ছে জীবের স্বরূপ। ভক্তিযোগের মাধ্যমে এই স্বরূপের প্রকাশ হয় এবং তাকে বলা হয় জীবের ‘স্বরূপসিদ্ধি’। অর্জুন ছিলেন ভগবানের ভক্ত এবং তাঁর সাথে ভগবানের সম্পর্ক ছিল বন্ধুত্বের সম্পর্ক।
    (চলবে)
    Views: 717 | Added by: Ratan | Rating: 0.0/0
    Total comments: 8
    0  
    1 rajendra   (11-06-2011 11:14 PM) [Entry]
    চমৎকার -চালিয়ে যান

    হে গোবিন্দ রাখো চরণে
    মোরা তব চরণে শরণাগত
    আশ্রয় দাও আশ্রিত জনে।


    0  
    4 Ratan   (12-06-2011 9:02 PM) [Entry]
    দাদা আসলেই নজরুলও কৃষ্ণভক্তই ছিলেন। তাই না?

    0  
    5 rajendra   (12-06-2011 9:04 PM) [Entry]
    তিনি তা ছিলেন কিনা জানিনা- তবে তিনি মুসলমান হয়েও যা লিখে গেছেন তা গাইলে চোখে পানি চলে আসে

    0  
    2 rajendra   (11-06-2011 11:23 PM) [Entry]
    এখানে আগের লেখাটার লিংক টা দিয়ে দেবেন- তাহলে ঘটনা প্রবাহ পড়তে সুভিধা হবে

    0  
    3 Hinduism   (12-06-2011 1:13 AM) [Entry]
    অনেক সুন্দর ও সাবলীল লেখা হচ্ছে। চালিয়ে যান। আচ্চা আমি একটা জিনিষ ঠিক sure না । গীতার অনেক শ্লোক নাকি বন্টন করে স্বর্গে ও অন্যান্য জায়গায় দেওয়া হয়েছে। এর ব্যাপারটা একটু বলবেন?

    0  
    6 Ratan   (12-06-2011 9:06 PM) [Entry]
    আপনি কোথা হতে শুনেছেন? আপনি কৃপা করে www.iyfbd.com এ faqs এ দিলে ভাল হয়। তবে আপনার Query এর উত্তর দেয়ার চেষ্টা করব।

    0  
    7 rajendra   (12-06-2011 9:35 PM) [Entry]
    কথাটা আমি ও শুনেছি- কিন্তু কোথায় শুনেছি মনে করতে পারছিনা

    আপনি কি জানাতে পারেন??

    আমি শুনেছিলাম- গীতার অনেক গুলে শ্লোক আরও অন্যান্য স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়- পৃথিবীর জন্য শুধু ৭০০ শ্লোক বরাদ্ধ হয়

    আর এটা এখানে দিলে ভাল হয়- আমাদের সাইটেই এই আলোচনা চললে মানুষকে জানান সহজ হবে।


    0  
    8   (27-04-2012 8:28 PM) [Entry]
    ok. tai hobe

    Only registered users can add comments.
    [ Registration | Login ]