n অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে হিন্দু মন্দির ও প্রতিমা ধ্বংসের কথা - 23 September 2011 - হিন্দু ধর্ম ব্লগ - A Total Knowledge Of Hinduism, সনাতন ধর্ম Hinduism Site
Thursday
19-09-2019
2:21 PM
Login form
Search
Calendar
Entries archive
Tag Board
300
Site friends
  • Create a free website
  • Online Desktop
  • Free Online Games
  • Video Tutorials
  • All HTML Tags
  • Browser Kits
  • Statistics

    Total online: 1
    Guests: 1
    Users: 0

    Hinduism Site

    হিন্দু ধর্ম ব্লগ

    Main » 2011 » September » 23 » অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে হিন্দু মন্দির ও প্রতিমা ধ্বংসের কথা Added by: DharmaJuddha
    9:11 PM
    অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে হিন্দু মন্দির ও প্রতিমা ধ্বংসের কথা

    নারায়ণগঞ্জে মন্দিরের পুরোহিতকে মারধর প্রতিমা ভাঙচুর:
    নারায়ণগঞ্জ শহরে মন্দিরের ভেতরে জুয়া খেলতে বাধা দেওয়ায় গতকাল শুক্রবার উচ্ছৃঙ্খল বখাটেরা পুরোহিতকে মারধর এবং লাঞ্ছিত করেছে। এ ছাড়া ভাঙচুর করেছে দুটি মন্দিরের তিনটি প্রতিমা। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, স্থানীয় উচ্ছৃঙ্খল কয়েকজন বখাটে গতকাল দুপুরে শহরের নিতাইগঞ্জ কাচারী গলি এলাকার মন্দিরের ভেতরে জুয়া খেলতে থাকে। এ সময় মন্দিরের পুরোহিত অজিত চক্রবর্তী তাদের জুয়া খেলতে বাধা দেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাগিবতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তারা অজিত চক্রবর্তীকে মারধর করে ও পরনের জামা টেনে ছিঁড়ে ফেলে। এ সময় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে তৈরি করা গণেশ, লক্ষ্মী ও কার্তিক প্রতিমার হাত ও মাথার অংশ ভাঙচুর করে। পরে র‌্যাব, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। বিকেলে শহরের নিতাইগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে মনির হোসেন (২৭) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
    অজিত চক্রবর্তী বলেন, সাবেক পৌর কমিশনার মরহুম রফিকুল ইসলামের ভাতিজা নীল, হাসিব, জিম, মনিরসহ আরও চার-পাঁচজন উচ্ছৃঙ্খল যুবক মন্দিরের ভেতরে বসে জুয়া খেলছিল। তাদের মন্দিরের ভেতরে জুয়া খেলতে নিষেধ করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং তাঁকে মারধর ও দুটি মন্দিরের তিনটি প্রতিমা ভাঙচুর করে।

    প্রথম আলোঃ ১৭-০৯-২০১১

    শিবচরে মন্দিরে দুটি প্রতিমা ভাঙচুর:

    মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার সন্ন্যাসীরচরে সোমবার গভীর রাতে একটি মন্দিরের দুটি প্রতিমা ভাঙচুর করেছে সন্ত্রাসীরা।
    স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল মঙ্গলবার সকালে মন্দিরের পূজারিরা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। খবর শোনার পর উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম তালুকদার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. রাজ্জাক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
    মন্দিরটির সেবায়েত (দেখাশোনা করেন যিনি) দিব্যা হালদার কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘সকালে উঠে দেখি, কে বা কারা মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করে ফেলাইয়া দিছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাগো সঙ্গে একজনের জমি নিয়া বিরোধ আছে। তারা এ ঘটনা ঘটাতে পারে।’

    প্রথম আলোঃ
    ২৭-০৭-২০১১
    মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর, লুটপাটঃ সিলেটের বিয়ানীবাজারে একটি মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করেছে দুর্বৃত্তরা।

    এ সময় বাধা দেওয়ায় তারা মন্দিরের সেবায়েতকে মারধরও করে।

    শনিবার দুপুরে বিয়ানীবাজার পৌর শহরের খাস পণ্ডিতপাড়ায় এ হামলা হয়।

    মন্দিরের সেবায়েত সিদ্ধগৌর দাস ব্রহ্মচারী সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘদিন থেকে স্থানীয় একটি মহল মন্দিরের জায়গাটি দখলের চেষ্টা করে আসছে।



    দুপুরে ২০-২৫ জন দুর্বৃত্ত লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে মন্দিরে ঢুকে পঞ্চতত্ত্ব লক্ষ্মী নারায়ণ শিব মূর্তি ভাঙচুর এবং গীতায় অগ্নিসংযোগ করে।

    তারা সেবায়েতের কক্ষে ঢুকে এক লাখ ৯০ হাজার টাকা লুট করে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

    বাধা দিলে হামলাকারীরা তাকে মারধরও করে, বলেন সিদ্ধগৌর দাস।

    সিদ্ধগৌর দাস ব্রহ্মচারী আরো বলেন, শত বছরের পুরনো মন্দিরটি শ্রীবাস অঙ্গন হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা এখানে এসে পূজা-অর্চনা করে।

    বিয়ানীবাজার থানার ওসি এ কে এম ফজলুল হক শিবলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, হামলার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর ও গীতায় অগ্নিসংযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।

    এ ঘটনায় সেবায়েত সিদ্ধগৌর দাস ব্রহ্মচারী বাদী হয়ে অজ্ঞাত ২০-২৫ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন।
    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ০২/০৪/১১

    গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নগরীর আর্য্য ধর্মসভা মন্দিরের নির্মাণাধীন সাহেবের কবরখানা সার্বজনীন পূজা কমিটির দুর্গামূর্তি ভাঙচুর করেছে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় খুলনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। সাহেবের কবরখানা সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি বিপ্লব সাহা কালের কণ্ঠকে জানান, শারদীয় দুর্গা উৎসবকে সামনে রেখে আর্য্য ধর্মসভা প্রাঙ্গণে তাঁদের প্রতিমা তৈরির কাজ চলছিল। কিন্তু গতকাল দুপুর ১২টার দিকে এসে ত্রিপল উঠিয়ে দেখতে পান, দুর্গামূর্তির বাঁ পাশের একটি হাত, লক্ষ্মীমূর্তির বাঁ হাত, গণেশের মুখমণ্ডল ও অসুরের গলা ভেঙে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে মহানগর ও জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ প্রশাসনের কাছে মন্দিরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার দাবি জানায়। খুলনা সদর থানার ওসি এস এম কামারুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনার তদন্ত করে অবিলম্বে দোষীদের খুঁজে বের করা হবে।’

    গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা লালমোহন উপজেলার লর্ড হার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ চরপ্যায়ারী মোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন পূজামণ্ডপের পাঁচটি প্রতিমা ও দুর্গা দেবীর সাতটি হাত ভেঙে দিয়েছে। এ ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। গতকাল সকালে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ জামাল হোসেন (২২) ও মো. তৈয়ব (২০) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপ কর্তৃপক্ষকে ১০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করেন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও গ্রেপ্তারে পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।

    কালের কণ্ঠঃ ১৬/০৯/১১

    আক্কেলপুরে প্রতিমা ভাঙচুর, মামলা
    জয়পুরহাটের আক্কেলপুর পৌর শহরের বিহারপুরে শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দিরের গদাধর প্রতিমা গত রোববার রাতে ভাঙচুর করা হয়েছে।
    থানা পুলিশ সোমবার সকালে আক্কেলপুর-আওয়ালগাড়ী সড়কের রাজকান্দা তিনমাথা মোড় থেকে হাতভাঙা অবস্থায় প্রতিমাটি উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় ওই মহল্লার বন্দনারানী বাগচি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেছেন।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিহারপুর মৌজার ৫৩ শতক দেবোত্তর সম্পত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দিরটি সেবায়েত নিরঞ্জন গোস্বামী দেখভাল করতেন। তিনি গোপনে ওই সম্পত্তির মধ্যে ১৬ শতক পৌর শহরের সারফুল ইসলামের কাছে বিক্রি করে দেন। পরে সারফুল ইসলাম সেখানে ইটের দেওয়াল নির্মাণ করতে গেলে মহল্লাবাসী বাধা দেয় এবং দেবোত্তর সম্পত্তি বিক্রির ঘটনা জানতে পারে। কিন্তু তিনি বাধা উপেক্ষা করে সেখানে দেওয়াল নির্মাণ করেন। সম্প্রতি সারফুল ইসলাম ওই সম্পত্তি রবিউল ইসলামের কাছে বিক্রি করেন। রবিউল ইসলাম ৮ মে রাতে ওই সম্পত্তিতে স্থঅপনা নির্মাণ করেন। পরদিন সকালে মহল্লার হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীরা ওই স্থাপনা ভেঙে দেবোত্তর সম্পত্তি মন্দিরের দখলে নেন। তাঁরা সেখানে প্রতিমা স্থাপন করেন।
    মহল্লার হিন্দুধর্মাবলম্বীরা জানান, রোববার মন্দিরে আরতিপূজা ও প্রসাদ বিতরণ উপলক্ষে রাত ১০টা পর্যন্ত লোকজন ছিল। এরপর ঝড়-বৃষ্টি হয়। রাত তিনটার দিকে মন্দিরসংলগ্ন বাড়ির বাসিন্দা মর্ণিলা ও তাঁর স্বামী দিলীপ মন্দির দেখতে যান। তাঁরা গদাধর প্রতিমাটি দেখতে না পেয়ে লোকজনকে জানান। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও ওই রাতে তাঁরা প্রতিমাটির সন্ধান পাননি।
    সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) আল-মামুন বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    প্রথম আলো, ১৮ মে, ২০১১
    পাবনার সাঁথিয়ায় কালি মন্দিরের ৪টি প্রতিমা ভাঙচুর-লুটপাট
    পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার সোনাতলা কালি মন্দিরে সোমবার রাতে দূর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে চারটি প্রতিমা ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে।
    ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সাঁথিয়া থানার ওসি এসএম বজলুর রশিদ জানান, সোমবার দিবাগত গভীর রাতে কে বা কারা সোনাতলা বাজারে অবস্থিত কালি মন্দিরের তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়।
    দূর্বৃত্তরা মন্দিরের চারটি প্রতিমা ভাঙচুর করেছে। সেই সাথে কালি প্রতিমার কপালে থাকা ছয় আনি ওজনের একটি সোনার টিকলী এবং মন্দিরে রক্ষিত দান বাক্স ভেঙ্গে নগদ দশ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে গেছে।
    এ ঘটনায় মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি শ্রী নীলধর হাওলাদার বাদি হয়ে মঙ্গলবার সকাল দশটার দিকে সাথিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
    মামলায় অজ্ঞাত দূর্বৃত্তদের আসামী করা হয়েছে। তবে মামলায় আসামীর সংখ্যা উল্লেখ নেই। এ বিষয়ে এএসপি (বেড়া সার্কেল) খান মোহাম্মদ আবু নাছের জানান, মামলার পর জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশী অভিযান চলছে।
    News Hour BD ৩০ আগস্ট ২০১১


    নাটোরে মন্দির ভাঙচুরঃ

    নাটোর শহরতলীর রায় আমহাটী গ্রামের তিনশ’ বছরের পুরাতন জয়কালী মাতার মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি ও প্রতীমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

    মন্দির কমিটির সভাপতি কাঞ্চন কুমার সরকার জানান, সোমবার গভীর রাতে কে বা কারা মন্দিরের গ্রীলের তালা ভেঙে ভিতরে ঢুকে কালীমাতার প্রতীমার গায়ে থাকা দুই ভরি স্বর্ণালঙ্কার, কাসা ও পিতলের থালা-বাসন এবং পূজার প্রসাদ তৈরির জন্য রাখা এক বস্তা চাল, এক বস্তা ডাল ও দশ কেজি চিনি নিয়ে চলে যায়।

    চুরি করে যাওয়ার সময় তারা কালীমাতা মূর্তি ভাঙচুর করে এবং মহাদেবের মূর্তিটি মন্দিরের বাইরে উল্টে ফেলে রাখে যায়।

    সকালে স্থানীয় লোকজন দেখে নাটোর থানায় খবর দেয়। পরে এ ঘটনায় মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে নাটোর সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    এলাকাবাসী জানান, মন্দির চত্বরে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এক শ্রেণীর বখাটে যুবক গাঁজার আসর বসায়। তাদের ধারণা, এই গাঁজা সেবীরাই এ ঘটনা ঘটাতে পারে।

    সকালে নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসিরুল ইসলাম ও নাটোর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি চিত্ত রঞ্জন সাহা ১৭০৭ সালের ২৩ জুন মহারাণী ভবানীর প্রতিষ্ঠিত এই মন্দির পরিদর্শন করেছেন।

    ২৬ জুলাই,২০১১ (আরটিএনএন ডটনেট)

    নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে দুর্গামন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর
    নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নে পুরাতন টেপারহাট দুর্গামন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় টিটুল (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটলে পুলিশ ওই রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে। সে পূর্ব দলিরাম টেপার হাট গ্রামের মৃত মহব্বত আলির ছেলে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েচে।

    ওই মন্দিরের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায় জানান, গত দুই দিন আগে উক্ত টিটুলের একটি রিক্সাভ্যান চুরি হয়। সেটির জন্য মন্দিরের পাহারাদার জিতেন্দ্র রায়কে দায়ি করে ধারালো অস্ত্র নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর ওপর চড়াও হয়। এসময় জিতেন পালিয়ে আত্মরক্ষা করলেও টিটুল দূর্গামন্দিরে ঢুকে মূর্তি ভাঙচুর করে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে টিটুলকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় তিনি (সুভাষ) বাদি হয়ে থানায় মামলা করেছেন। কিশোরগঞ্জ থানার সাবইন্সপেক্টর নগেন্দ্র নাথ রায় ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, রাতেই অভিযান চালিয়ে টিটুলকে গ্রেপ্তার করে শনিবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

    বাংলাদেশনিউজ২৪x৭.কম
    ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১১

    বগুড়ার শেরপুরে কালি মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনাঃ
    বগুড়ার শেরপুরে কালি মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার ১ এপ্রিল রাতে উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী খোলিসাগাড়ী গ্রামে অজ্ঞাত দুবর্ৃত্তরা এ ঘটনা ঘটায়। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের গোপাল চন্দ্র মন্ডলের পারিবারিক মন্দিরে গেল রাতে অজ্ঞাত দুবর্ৃত্তরা প্রবেশ করে। পরে মন্দির ঘরে রক্ষিত কালি প্রতিমার মাথা ভেঙে ফেলা হয়। এমনকি পুরো প্রতিমায় লাঠি জাতীয় বস্তু দিয়ে আঘাত করে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে গত শনিবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ভবানীপুর ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুর রহিম তারা জানান, সকালে বাড়ির লোকজন মন্দির প্রাঙ্গনে পূজা আর্চনা করতে গেলে তারা প্রতিমা ভাঙা দেখতে পান। ঘটনাটি এলাকার মাদকাসক্ত বা খারাপ প্রকৃতির লোকজন ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে তিনি মনে করেন। শেরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বুলবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এ প্রসঙ্গে বলেন, ওই রাতে পাশের সারোতিয়া গ্রামে মূড়াগাছার মেলা হচ্ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, মেলায় আসা-যাওয়ার পথে কেউ এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। এদিকে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নিমাই ঘোষ ও সাধারণ সম্পাদক সুজিত বসাক এ প্রসঙ্গে বলেন, এ ধরণের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। তাঁরা এ ঘটনায় জড়িত দোষী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

    বিবেক বার্তাঃ ৪ এপ্রিল ২০১১

    বড়াইগ্রামে ৬টি প্রতিমা ভাঙচুর : উত্তেজনা

    নাটোর প্রতিনিধি : বড়াইগ্রাম উপজেলার চামটায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নির্মিত ৬ টি প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার মধ্যরাতে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
    পূজা উদযাপন কমিটি ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বড়াইগ্রাম উপজেলার চামটা গ্রামের কালীপদ মজুমদারের বাড়ির আঙিনায় বিগত প্রায় একযুগ ধরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এবারও দুর্গাপূজা উপলক্ষে একই স’ানে গত প্রায় একমাস থেকে প্রতিমা তৈরির কাজ চলছিল। বুধবার রাতের অন্ধকারে কে বা কারা সবার অগোচরে লক্ষ্মী, কালীমাতা, গণেশ, সরস্বতি, অসুর ও সিংহ প্রতিমার হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর করে। সকালে ঘটনা জানাজানি হলে এলাকার হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বড়াইগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ ও বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন ঘটনাস’ল পরিদর্শন করেছেন। এ ব্যাপারে চামটা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বনমালী ব্রহ্মচারী বলেন, রাতে আমরা প্রতিমা দেখে বাড়ি গিয়েছি। সকালে খবর পেয়ে এসে দেখি ৬টি প্রতিমাই ভাঙা। প্রতিমাগুলোর বর্তমানে যে অবস’া তাতে এবার পূজা উদযাপন করা সম্ভব হবে বলে মনে হচ্ছে না। বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি মৌখিকভাবে খবর পেয়ে ঘটনাস’লে গিয়েছি। আমরা দোষীদের খুঁজে বের করার পাশাপাশি পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তা জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছি। বড়াইগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি ঘটনাস’ল পরিদর্শন করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ সব ধরণের মানুষের সাথে কথা বলেছি। এ দু:খজনক ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার পাশাপাশি নতুন করে প্রতিমা তৈরি করে পূর্ণ নিরাপত্তার সাথে পূজা পালন করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস’া গ্রহণ করা হবে।
    সোনালি সংবাদ ০১/১০/২০১০
    মাগুরা ও জয়পুরহাটে প্রতিমা ভাঙচুর

    মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার দীঘা ইউনিয়নের তিনটি গ্রামে আজ শুক্রবার ভোরে অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীরা তিনটি মন্দিরে হামলা চালিয়ে দুটি দুর্গা প্রতিমাসহ পাঁচটি প্রতিমা ভাঙচুর করেছে।
    পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুষ্কৃতকারীরা ইউনিয়নের খাজুরা সাহাপাড়া সার্বজনীন পূজামন্দির, নাগড়া দোলমন্দির ও দীঘা গ্রামের সঞ্জিত সাহার পারিবারিক শিব শঙ্কর মন্দিরে হামলা চালিয়ে প্রতিমা ভাঙচুর করে। সার্বজনীন পূজামন্দিরে আসন্ন দুর্গা পূজা উপলক্ষে প্রতিমাগুলো তৈরি করা হয়েছিল। খাজুরা মন্দিরের সভাপতি কুমারেশ চন্দ্র সাহা বলেন, দুর্গা পূজা সামনে রেখে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্যই এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
    মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খালিদ আহমেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুল হক এ প্রসঙ্গে বলেন, প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় কারা জড়িত তা জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
    এদিকে একইভাবে গতকাল বৃহস্পতিবার দুর্বৃত্তরা জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করেছে। আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান জানান, মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় মামলা হয়নি। তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের খোঁজা হচ্ছে

    প্রথম আলো
    ২৪-০৯-২০১০

    লালমনিরহাটের সদর উপজেলার ভোলার চওড়া নামক গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে চুরি ও প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

    বৃহস্পতিবার গভীর রাতে একদল দুর্বৃত্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের মহাদেব ও কালী মন্দিরে স্বর্ণালঙ্কার চুরি এবং মহাদেব ঠাকুরের প্রতিমা ভাঙচুর করে।

    সাম্প্রতিক সময়ে ওই এলাকায় এ ধরনের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে পুনরায় মন্দিরে চুরি ও প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

    এ ব্যাপারে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সার্কেল এস পি জুবায়ের হোসেন ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএম ময়নুল ইসলামসহ একদল পুলিশ সদস্য।

    সদর থানার ওসি ময়নুল ইসলাম জানান, মন্দিরে চুরি ও প্রতিমা ভাঙচুরের বিষয়টি তদন্ত চলছে। তবে এখন পর্যন্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

    প্রসঙ্গত, কালী ও মহাদেব মন্দিরে দীর্ঘ ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতিমা পূজা হয়ে আসছে। একটি সংঘবদ্ধ চক্র এক সপ্তাহের মধ্যে দুই দুই বার এ মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর করেছে এবং এক ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়েছে।

    এদিকে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট মন্দিরের ভক্ত জীতিশ চন্দ্র বর্মনসহ পূজা-অর্চনাকারীরা। একাধিকবার মন্দিরে অনাকাঙ্ক্ষিত হামলা ও চুরির ঘটনায় তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।


    আরটিএনএন ডটনেট ১১/০২/২০১১
    হাটহাজারীতে পূজা মণ্ডপে হামলা প্রতিমা ভাঙচুর


    চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে পূজা মন্ডপে হামলা চালিয়ে প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুবর্ৃত্তরা। গত শুক্রবার রাতে উপজেলার পশ্চিম ধলই উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পূজা মণ্ডপে এই ঘটনা ঘটে। এসময় ছাত্র, শিৰকসহ কয়েক জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন- অরুন চন্দ্র সেন ও নারায়ণ গোস্বামী নামে দুই জন শিৰক।
    সংবাদ পেয়ে স্থানীয় সাংসদ ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ রাত ৯ টায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে যান এবং দুষকৃতকারীদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন।
    এদিকে, গতকাল শনিবার সকালে স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যৰ ইসমাইল, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিদর্শনে যান। এঘটনায় সুনির্দিষ্ট ৯ জনের নাম উলেস্নখ করে ৩২ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
    সৌজন্যে: ভোরের কাগজ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০০৯,
    চাটমোহরে প্রতিমা ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ১

    পাবনার চাটমোহরে সোমবার রাতে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এজাজুল নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিমাইচড়া ইউনিয়নের কোলা গ্রামের শ্রী শ্রী কালীমাতা বাস্ত মন্দিরে কালী ও মহাদেবের প্রতিমা ছিল। সোমবার রাতে কে বা কারা মন্দিরে ঢুকে ওই প্রতিমা ভাঙচুর করে। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় হিন্দু সমপ্রদায়ের লোকজন মন্দিরে গিয়ে প্রতিমা ভাঙা দেখে মন্দির পরিচালনা কমিটিকে খবর দেয়। মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুনীল কুমার সূত্রধরের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। চাটমোহর থানার ওসি শাহিদ আলম জানান, এ ঘটনায় শ্রী শ্রী কালীমাতা বাস্ত মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিশ্বনাথ পোদ্দার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তদের আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। মঙ্গলবার সকালেই পুলিশ এজাজুল প্রামাণিককে প্রতিমা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করেছে।

    কালের কণ্ঠ
    ২৭ অক্টোবর ২০১০

    আখাউড়ায় দূর্গা প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা


    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দাসপাড়া পূঁজা মন্ডপের দূর্গা প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুবর্ৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে। এ ঘটনায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ােভ সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনা শুনে গতকাল বুধবার সকালে জেলা প্রশাসক মোঃ আবদুল মান্নান, পুলিশ সুপার মোখলেসুর রহমান সহ স্থানীয় প্রশাসন এবং উপজেলা পূঁজা উদযাপন কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
    এলাকাবাসী ও হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন জানান, মঙ্গলবার গভীর রাতে দাসপাড়া পূজা মন্ডবের শারদীয় দূর্গোৎসবের সকল প্রতিমা ভেঙ্গে ফেলেছে দুবর্ৃত্তরা। সকালে মন্ডপ খোলার পর ভক্তরা দেখতে পায় মন্ডপের সকল প্রতিমা ভাঙ্গা। প্রতিমার অংশ বিশেষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। এ ঘটনায় আখাউড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
    ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান এ ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের বের করে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি তিনি পূঁজা পরিচালনায় সরকারের প থেকে সকল প্রকার সহযোগীতার আশ্বাস দেন।
    এদিকে এ ঘটনার পর থেকে ওই মন্ডপে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। উপজেলা পঁূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুবল চন্দ্র ঘোষ জানান, প্রতিমা’র ব্যবস্থা করা গেলে মন্ডপে পূঁজা করা হবে। তিনি ২৪ ঘন্টার মধ্যে দোষীদের খুঁজে বের করার দাবি জানান।

    দৈনিক ব্রামনবারিয়া ০৭/১০/২০১০

    বগুড়ার শাজাহানপুরে সাতটি সরস্বতী প্রতিমা ভাঙচুর
    বগুড়ার শাজাহানপুরের পাল পাড়ায় সরস্বতী পূজা উপলক্ষে তৈরি করা সাতটি মাটির প্রতিমা শনিবার রাত ১০টায় ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। ভাঙচুরের পর প্রতিমাগুলো একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে ফেলে রাখা হয়। শাজাহানপুর থানার ওসি ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ বিষয়ে থানায় একটি মামলা হয়েছে। জানা যায়, উপজেলার ডেমাজানী পালপাড়ায় মৃত সূর্যকানত্ম পালের ছেলে সুকানত্ম পাল আসন্ন সরস্বতী পূজা উপলক্ষে ১২টি প্রতিমা তৈরি করেন। শনিবার রাতে কাজ শেষে প্রতিমাগুলো মন্দিরের সামনে রেখে বাড়িতে চলে যান। সকালে দেখতে পান মন্দিরের সামনে ৭টি প্রতিমা নেই। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাঁশঝাড়ে সেগুলো ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান।

    মন্দির কমিটির সভাপতি নবরঞ্জন পাল বলেন, কয়েক বছর আগে হরিবাসরের খাবারও নষ্ট করেছিল দুর্বৃত্তরা। এবার মূর্তি ভেঙে ফেলায় আমরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। ওসি আনিছুর রহমান বলেন, এতে আতঙ্কে কিছুই নেই। মামলা হয়েছে। তদনেত্মর মাধ্যমে অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    আমাদের রাজশাহী

    রাজবাড়ীতে কালী মন্দিরে অগ্নিসংযোগ, পিরোজপুরে প্রতিমা ভাঙচুর

    রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার ছোট ভাকলা ইউনিয়নের হাউলি কেউটিল গ্রামে শুক্রবার রাতে একটি কালী মন্দির পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

    পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মধ্যপাড়া গ্রামে অজ্ঞাত পরিচয় দুর্বৃত্তরা দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।


    রাজবাড়ী: এলাকাবাসী জানিয়েছে, শুক্রবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা হাউলি কেউটিল গ্রামের শত বছরের পুরনো মন্দিরটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে প্রতিমাসহ মন্দির ভবনের আংশিক পুড়ে যায়।

    এ ঘটনার খবর পেয়ে শনিবার সকালেই রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহম্মদ, পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান, গোয়ালন্দ উপজেলা চেয়ারম্যান হাসান ইমাম চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাসিরউদ্দিন, গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    জেলা প্রশাসক অপরাধীদের খুঁজে বের করার জন্য গোয়ালন্দ ঘাট থানার পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন।

    রাজবাড়ী জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি গণেশ নারায়ণ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, "ঈদ ও পূজাকে সামনে রেখে সা¤প্রদায়িক স¤প্রীতি বিনষ্ট করতে এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে কারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে তদন্ত করে তা বের করতে হবে।"

    তিনি অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

    গোয়ালন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা গিয়াসপুরী বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই প্রতিক্রিয়াশীল একটি গোষ্ঠী সরকারের ভাবমূর্তি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে তৎপর হয়ে ওঠে।

    পিরোজপুর: নাজিরপুর ইউনিয়নের সামন্তগাতী ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামের যোগেশ মণ্ডলের বাড়িতে দুর্গা প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে ছিল। শুক্রবার রাতে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা রশি কেটে দিলে প্রতিমাটি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ভেঙে যায়।

    এই খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট (সার্কেল) সুভাষ চন্দ্র সাহা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    এএসপি সাংবাদিকদের জানান, পেছনের রশিটি কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কেটে দিয়েছে অথবা ছিড়ে গিয়ে প্রতিমাটি ভেঙে যেতে পারে।

    এ ঘটনায় যোগেশ মণ্ডল নাজিরপুর থানায় একটি মামলা করেছেন বলেও তিনি জানান।


    বিডিনিউজ২৪ ১৯/০৯/২০০৯

    ফরিদপুরে মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর অলংকার চুরি

    ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকার লাহেড়ীপাড়া সর্বজনীন কালীমন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর ও অলংকার চুরি হয়েছে। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।
    মন্দিরের সেবায়েত চঞ্চলা মালো বলেন, ‘গতকাল বুধবার সকাল আটটার দিকে আমি মন্দিরে ঝাড়ু দিতে এসে দেখতে পাই, প্রথম দরজার তালা ও মন্দির কক্ষে ঢোকার দরজার তালা ভাঙা। বিষয়টি তত্ক্ষণাত্ মন্দির কমিটির সভাপতিকে জানাই।’
    মন্দির কমিটির সভাপতি রমেন্দ্রনাথ লাহেড়ী জানান, মন্দিরে ঢুকে দেখতে পাই কালীমায়ের জিভটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। মাথার সোনার টিকলি ও একটি পিতলের কলসসহ প্রায় ১০ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়েছে।
    ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মামলার প্রস্তুতি চলছে।

    প্রথম আলো ২৫-০২-২০১০

    সিরাজগঞ্জে কালী প্রতিমা ভাঙচুর

    সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় একটি মন্দিরের কালি প্রতিমা ভাংচুর করেছে দূর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় এলাকার হিন্দু সমপ্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
    এলাকাবাসী ও উল্ল্লাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাজুল হুদা জানান, রোববার রাতে কে বা কারা উল্লাপাড়া পৌর এলাকার ঘোষগাতী মহাশ্মশান সংলগ্ন শ্রী শ্রী রামপ্রাসাদ মন্দিরের কালীমূর্তির মাথা ও হাত ভেঙ্গে ফেলে। দূর্বৃত্তরা ভাঙ্গা অংশ-গুলো মহা শ্মশানের পাশে ফেলে রাখে। বিষয়টি সকালে জানাজানি হওয়ার পর এলাকার হিন্দু সমপ্র-দায়ের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে উল্লাপাড়া থানা পুলিশ ঘটনা-স’লে গিয়ে এ ঘটনার সাথে জড়িত-দের গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে পরিসি’তি শান- হয়। এনায়েতপুর আদর্শগ্রামের ৩৫টি হিন্দু পরিবার প্রায় ৪ বছর আগে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতি বছর এই মন্দিরে কালি পূজা অনুষ্ঠিত হয় বলে এলাকাবাসী জানায়।
    উল্লাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাজুল হুদা জানান,হিন্দু সমপ্রদায়ের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে মামলা করা হয়নি। তবে পুলিশ দোষীদের গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    সোনালি সংবাদ ২১/১২/২০১০
    Views: 606 | Added by: DharmaJuddha | Rating: 0.0/0
    Total comments: 1
    0   Spam
    1   (03-10-2011 11:46 PM)
    এটাই স্বাভাবিক। মুসলিম দেশে হিন্দুরা যে বেঁচে বর্তে আছে, সেটাই বেশি।

    Only registered users can add comments.
    [ Registration | Login ]