n কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ভানী গ্রামে মাইকিং করে ৭ হিন্দু পরিবারে হামলা, ঘর-মন্দির ভাঙচুরঃ - 4 September 2011 - হিন্দু ধর্ম ব্লগ - A Total Knowledge Of Hinduism, সনাতন ধর্ম Hinduism Site
Thursday
19-09-2019
2:19 PM
Login form
Search
Calendar
Entries archive
Tag Board
300
Site friends
  • Create a free website
  • Online Desktop
  • Free Online Games
  • Video Tutorials
  • All HTML Tags
  • Browser Kits
  • Statistics

    Total online: 1
    Guests: 1
    Users: 0

    Hinduism Site

    হিন্দু ধর্ম ব্লগ

    Main » 2011 » September » 4 » কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ভানী গ্রামে মাইকিং করে ৭ হিন্দু পরিবারে হামলা, ঘর-মন্দির ভাঙচুরঃ Added by: DharmaJuddha
    9:13 PM
    কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ভানী গ্রামে মাইকিং করে ৭ হিন্দু পরিবারে হামলা, ঘর-মন্দির ভাঙচুরঃ
    আজ কালের কণ্ঠ পড়ছিলাম। পিছনের পাতায় খবর দেখে চোখ আটকে গেল। শিরোনাম “মাইকিং করে ৭ হিন্দু পরিবারে হামলা, ঘর-মন্দির ভাঙচুরঃ অভিযোগ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে”
    খবরটা তুলে দিচ্ছিঃ

    কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ভানী গ্রামে গতকাল শনিবার সংখ্যালঘু সাতটি পরিবারের ওপর হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। তারা ঘর-বাড়ি, মন্দির ভাঙচুর এবং টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ কোটি টাকার মানপত্র লুটপাট করে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা। গতকাল সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভানী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় পুলিশসহ কমপক্ষে ছয়জন আহত হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা মাসুম বিল্লাহ, সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, নূরুল ইসলাম, মমিন মেম্বার ও অধ্যাপক তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে। ঘটনার পর থেকে তাঁরা পলাতক রয়েছেন।
    স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, গতকাল সকালে হিন্দুবিরোধী মাইকিং করা হয়। এরপর সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয় ভানী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অজিত দাস, তাঁর চার ভাই ও দুই আত্মীয়ের পরিবারের ওপর হামলা চালানো হয়। অজিত দাস ও তাঁর পরিবারের অভিযোগ, রাজনৈতিক রেষারেষির কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য আবদুল মমিনসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। এ ঘটনায় এখনো মামলা করা হয়নি। তবে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। বিএনপি নেতা মাসুম বিল্লাহ, সাবেক চেয়ারম্যান
    হারুন অর রশিদ, নূরুল ইসলাম, মমিন মেম্বার, অধ্যাপক তাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পুলিশ গত ৩১ আগস্ট রাতে ভানী গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যক্তিকে আহত ও জ্ঞানহীন অবস্থায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নাজিরাবাজার এলাকা থেকে উদ্ধার করে। পরে তাঁকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাড়ি ফিরে জাহাঙ্গীর আলম স্থানীয় বিএনপি নেতাদের জানান, ভানী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক উত্তম দাস, তাঁর ভাই গৌতম দাসসহ অপর ভাইয়েরা তাঁকে মারধর করে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায়। এরপর গত শুক্রবার ওই গ্রামের বিএনপি নেতা মাসুম বিল্লাহর নেতৃত্বে স্থানীয় সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, নূরুল ইসলাম, মমিন মেম্বার, অধ্যাপক তাজুল ইসলামসহ অনেকে গ্রাম্য সালিস ডাকে। সালিসে তাঁরা গৌতম দাসের শালা সাগর ঘোষকে মারধর করেন।
    স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানায়, গতকাল সকালে গ্রামে মাইকিং করে বলা হয়, 'মুসলমানকে মেরে এই গ্রামে হিন্দু পরিবার থাকতে পারে না।' এরপর মাসুম বিল্লাহর নেতৃত্বে স্থানীয় দুই থেকে তিন শতাধিক সশস্ত্র লোক হামলা চালায়। হামলাকারীরা ৯টি ঘরের ২৫টি কক্ষে ভাঙচুর এবং লুটপাট চালায়। পরিবারের সদস্যরা জানায়, হামলাকারীরা ৫০০ ভরি স্বর্ণালংকার, প্রায় ২৫ লাখ টাকা, ৩০টি মোবাইল ফোনসেট নিয়ে যায়। সাতটি টেলিভিশন, তিনটি ফ্রিজ, ছয়টি ডিভিডি প্লেয়ার, একটি জেনারেটর, তাদের মালিকানাধীন ভানী ঈষা মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির টাকা, গ্রাহকদের দলিল, কাগজপত্র, ব্যাংকের চেক লুট করে নিয়ে যায়। প্রতিটি ঘরের দেবতার আসন ভেঙে ফেলা হয়। অজিত দাসের পরিবারের সদস্যরা জানায়, হামলাকারীরা কয়েকজন মহিলার সম্ভ্রমহানীর চেষ্টা করলে তাঁরা পাশের বাড়িতে আশ্রয় নেন। তাদের বাধা দিলে উত্তম দাসের স্ত্রী লাভলী দাস (৩৫), মেয়ে ঈষা (১০), গৌতম দাসের স্ত্রী রিঙ্কু দাস (৩০) এবং স্বপন দাসের মেয়ে প্রিয়া (১০) আহত হয়।
    হামলার খবর পেয়ে দেবিদ্বার থানার এসআই কামাল হোসেন, এসআই শহীদ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। সশস্ত্র হামলাকারীদের হামলায় পুলিশ কনস্টেবল সরোয়ার ও দারু মিয়া আহত হন। পরে দেবিদ্বার থানার পুলিশ, চান্দিনা থানার পুলিশ, কুমিল্লা জেলা পুলিশ লাইন থেকে রিজার্ভ ফোর্স গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় পুলিশ আবদুল মমিন মেম্বারকে আটক করে।
    আহত লাভলী দাস বলেন, 'সকালে আমি মেয়েকে পড়াতে বসি। এমন সময় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আমার ঘরে প্রবেশ করে, ভাঙচুর শুরু করে। জিনিসপত্র রক্ষা করতে গেলে সন্ত্রাসীরা আমাকে আঘাত করে।' ভানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক উত্তম দাস ও তাঁর ভাই স্বপন দাস বলেন, 'রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ইউপি নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় গ্রামের একটি মহল আমাদের বিভিন্নভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা করছিল। হামলা ও মামলার ভয়ে আমরা পাঁচ ভাই কয়েক দিন ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। হামলাকারীরা পরিকল্পিতভাবে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।' হামলায় অন্তত এক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন। হামলার পর কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা স্থানীয় নেতারা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তাঁরা। কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার টুটুল চক্রবর্তী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দেবিদ্বার থানার ওসি স্বপন কুমার নাথ জানান, হামলাকারী মাসুম বিল্লাহ প্রভাবশালী। এ ঘটনায় সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ জড়িত। হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চলছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।

    আমার কথাঃ

    বাংলাদেশে মন্দির ভাঙ্গা নতুন কিছু না। যতদিন এদেশ হিন্দু শুন্য না হচ্ছে ততদিন এগুলো চলতেই থাকবে। হিন্দুরা প্রতিবাদ করতে জানে না। যারা কাজটি করেছে তারা বুজে শুনেই করেছে।

    মাইকিং করে তারা যেভাবে বলেছে,” মুসলমানকে মেরে এই গ্রামে হিন্দু পরিবার থাকতে পারে না।'” মনে পরে গেল, ১৯৯০ সালের ১৯ জানুয়ারী থেকে ২১ জানুয়ারী কাশ্মীর উপত্যকাতে মাইকিং করা হয়, হিন্দুরা হয় ধর্মান্তরিত হও নয়তো কাশ্মীর ছাড়। আমরা পাকিস্তান এবং হিন্দু নারী চাই।

    এর পর ৪ লাখ হিন্দু হয় পালায় নয় খুন হয়।

    ২০০৩ এর ২ জুনে ঝিনাইদহ জেলার তমালতলাতে পুলিশ অফিসার এর নেতৃত্তে ৩ টি মন্দির ধ্বংস করা হয়।

    ঝিনাইদহের খবরের লিঙ্ক


    এখন তো বিএনপি ক্ষমতায় নেই। তারপরও তাদের নেতারা যা দেখালেন প্রশ্ন জাগে এটা কি পরবর্তী নির্বাচনে তারা বিজয়ী হলে হিন্দুদের কিভাবে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী সুখ দিবেন (২০০১ এর মত) তার রিহারসেল?
    Views: 466 | Added by: DharmaJuddha | Rating: 0.0/0
    Total comments: 2
    0   Spam
    1 Hinduism   (05-09-2011 0:45 AM)
    গত বেশ কিছুদিন ধরে দেখছি এমন ধরনের ঘটনা সর্বত্র, এগুলো দেখলে মনটা এত খারাপ হয়ে যায় যে কি বলবো। আমি এর সমাধান হিসেবে কিছুই খুজে পইনা। আচ্ছা দাদা আপনার কি মনে হয় এর সমাধান কি ????????? আমরা কি এই দেশ ছেড়ে চলে যাবো????

    0   Spam
    2 DharmaJuddha   (05-09-2011 0:55 AM)
    Till 10th century Afghanistan was a Hindu nation (Hindu Rashtra)

    Today Afghan mullahs are eager to tear "Rahman to pieces", but how many of them had read the Afghan history? Till 10th century Afghanistan was a Hindu nation. It is Afghans, who fought hard against Muslim invaders and died in millions in the battlefield to save their land. Do they know what the name of the mountain range Hindukush stands for? Hindukush means Hindu slaughter. This is the name given by the Muslim invaders to the mountain range, which were close to the battlefields. Many Afghan women and children during those days were forced to slavery after the brutal murder of the male members of their family.

    Only registered users can add comments.
    [ Registration | Login ]